শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
বিনামূল্যে আরজু মনি অক্সিজেন ব্যাংকের উদ্বোধন করলেন এমপি নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন এশিয়ার বৃহৎ মৎস প্রজনন কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন এমপি নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন রায়পুরে ১৩৯ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত খাদ্য বিতরণ অব্যাহত আছে -এড. নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি রায়পুরের ১০ ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ করেন এডভোকেট নয়ন এমপি লক্ষ্মীপুরে দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন এডভোকেট নয়ন এমপি রোটারি ক্লাব অব লক্ষ্মীপুর এর ইয়ার এন্ডিং মিটিং অনুষ্ঠিত এমপি হিসেবে শপথ নিয়েছেন লক্ষ্মীপুরের এডভোকেট নয়ন লক্ষ্মীপুর-২ আসনে বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এডভোকেট নয়ন বিজয়ী রায়পুরে যুবলীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

করোনায় নিভে নাই লক্ষ্মীপুরের ইটভাটার আগুন

স্টাফ রিপোর্টার / ৩৮৫ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন

লক্ষ্মীপুরে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বন্ধ হয়নি ইটভাটা, নিভেনাই আগুন। ইটভাটার শ্রমিক, কারিগর ও আগুন মিস্ত্রি মিলে জনসমাগম করে হরদমে চলছে ইট পোড়ানো। করোনার এই বিপর্যয়ে অসচেতনভাবে শত শত শ্রমিক এক একটি ভাটায় একত্রে কাজ করছে যা বর্তমান সময়ের জন্য হুমকি স্বরুপ।
সরেজমিনে দেখা যায়, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পৌর এলাকা, ভবানীগঞ্জ, লাহারকান্দি, তেওয়ারীগঞ্জ, কুশাখালী, মান্দারীসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রায় অর্ধশতাধিক ইটভাটা আছে। এসব ইটভাটায় চলছে স্বাভাবিক দিনের মতই কার্যক্রম। সরকারি নিষেধাজ্ঞা, জনসমাগম না করা, নিরাপদ দুরুত্ব বজায় রাখা, হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার করা এসব কিছুই ভাটায় নাই বরং এ বিষয়ে কোন সচেতনতা নাই। তবে শ্রমিকরা জিম্মি হয়ে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে বলেও জানা যায়। শ্রমিকরা বলেন, সবকিছু বন্ধ হয়ে গেছে আমাদের ইটভাটা বন্ধ হচ্ছেনা। আমরা কাজ করতে চাচ্ছিনা। কিন্তু আমাদের মাঝি আমাদেরকে বাধ্য করে। অবশ্য মাঝি ভাটার মালিকদের উপর দোষ চাপিয়ে বলেন, কোম্পানী যদি আসতে বলে তাহলে তো আসতেই হয়।
তবে মালিকরা বলছে ভিন্ন কথা, তারা সরকারি নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি জানেনা। তারা বলেন, তাদের সমিতির মাধ্যমে যদি মানা করে তাহলে ইটভাটা বন্ধ করবে।
এদিকে দেশব্যাপী করোনা সংক্রান্ত বিষয়ে সরকার যে অবস্থানে আছে এতে সাধারণ মানুষের মত ইটভাটা মালিকরাও তাদের ইটভাটা বন্ধ করে এ ভাইরাস থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য শ্রমিকসহ সকলে বাড়িতে অবস্থান করাই উত্তম হবে বলে মনে করেন ইটভাটা শ্রমিকরা।


ল/আ, সম্পাদনা