শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১১:২৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
লক্ষ্মীপুরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী আব্দুল মতলব’র ব্যাপক গণসংযোগ রায়পুরে বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে ১৫ লাখ টাকার চেক বিতরণ রায়পুরে নবনির্মিত শহীদ মিনার উদ্বোধন করলেন নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি রায়পুর উপজেলা ডিজিটাল সেন্টার উদ্বোধন করেন এড. নয়ন এমপি রায়পুরে করোনা আক্রান্তদের মাঝে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিতরণ উদ্বোধন শোক দিবসে লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা ও দোয়া লক্ষ্মীপুরে বিভিন্ন ইউনিয়নে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি উপহার দিলেন নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি রায়পুর হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার হস্তান্তর রায়পুরে ক্ষতিগ্রস্থ উদ্যোক্তাদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর প্রনোদনার চেক বিতরণ

করোনায় নিভে নাই লক্ষ্মীপুরের ইটভাটার আগুন

স্টাফ রিপোর্টার / ৫২৮ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১১:২৫ অপরাহ্ন

লক্ষ্মীপুরে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বন্ধ হয়নি ইটভাটা, নিভেনাই আগুন। ইটভাটার শ্রমিক, কারিগর ও আগুন মিস্ত্রি মিলে জনসমাগম করে হরদমে চলছে ইট পোড়ানো। করোনার এই বিপর্যয়ে অসচেতনভাবে শত শত শ্রমিক এক একটি ভাটায় একত্রে কাজ করছে যা বর্তমান সময়ের জন্য হুমকি স্বরুপ।
সরেজমিনে দেখা যায়, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পৌর এলাকা, ভবানীগঞ্জ, লাহারকান্দি, তেওয়ারীগঞ্জ, কুশাখালী, মান্দারীসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রায় অর্ধশতাধিক ইটভাটা আছে। এসব ইটভাটায় চলছে স্বাভাবিক দিনের মতই কার্যক্রম। সরকারি নিষেধাজ্ঞা, জনসমাগম না করা, নিরাপদ দুরুত্ব বজায় রাখা, হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার করা এসব কিছুই ভাটায় নাই বরং এ বিষয়ে কোন সচেতনতা নাই। তবে শ্রমিকরা জিম্মি হয়ে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে বলেও জানা যায়। শ্রমিকরা বলেন, সবকিছু বন্ধ হয়ে গেছে আমাদের ইটভাটা বন্ধ হচ্ছেনা। আমরা কাজ করতে চাচ্ছিনা। কিন্তু আমাদের মাঝি আমাদেরকে বাধ্য করে। অবশ্য মাঝি ভাটার মালিকদের উপর দোষ চাপিয়ে বলেন, কোম্পানী যদি আসতে বলে তাহলে তো আসতেই হয়।
তবে মালিকরা বলছে ভিন্ন কথা, তারা সরকারি নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি জানেনা। তারা বলেন, তাদের সমিতির মাধ্যমে যদি মানা করে তাহলে ইটভাটা বন্ধ করবে।
এদিকে দেশব্যাপী করোনা সংক্রান্ত বিষয়ে সরকার যে অবস্থানে আছে এতে সাধারণ মানুষের মত ইটভাটা মালিকরাও তাদের ইটভাটা বন্ধ করে এ ভাইরাস থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য শ্রমিকসহ সকলে বাড়িতে অবস্থান করাই উত্তম হবে বলে মনে করেন ইটভাটা শ্রমিকরা।


ল/আ, সম্পাদনা