মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
লক্ষ্মীপুরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী আব্দুল মতলব’র ব্যাপক গণসংযোগ রায়পুরে বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে ১৫ লাখ টাকার চেক বিতরণ রায়পুরে নবনির্মিত শহীদ মিনার উদ্বোধন করলেন নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি রায়পুর উপজেলা ডিজিটাল সেন্টার উদ্বোধন করেন এড. নয়ন এমপি রায়পুরে করোনা আক্রান্তদের মাঝে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিতরণ উদ্বোধন শোক দিবসে লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা ও দোয়া লক্ষ্মীপুরে বিভিন্ন ইউনিয়নে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি উপহার দিলেন নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি রায়পুর হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার হস্তান্তর রায়পুরে ক্ষতিগ্রস্থ উদ্যোক্তাদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর প্রনোদনার চেক বিতরণ

যশোরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত মণিরামপুরে

উপজেলা প্রতিনিধি / ৫৮৮ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন

যশোরে প্রথমবারের মতো এক করোনা রোগী শনাক্ত হলো। তিনি মণিরামপুরের স্বাস্থ্যকর্মী। রবিবার রাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগ পর্যন্ত যশোর জেলায় কোনো করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় বলে জানায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
মণিরামপুরে করোনা রোগী হিসেবে শনাক্ত হওয়া ওই স্বাস্থ্যকর্মী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পেছনে একটি বাড়ির ভাড়াটিয়া। তিনি ঝাঁপা ইউনিয়নে কর্মরত। বর্তমানে তিনি মুজগুন্নি গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে রয়েছেন।
করোনা শনাক্ত হওয়ায় সেই ভাড়াবাড়ি, মশ্মিমনগরে তার নিজের বাড়ি এবং মুজগুন্নিতে শ্বশুরবাড়ি লকডাউনের প্রস্তুতি চলছে বলে উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক আব্দুল মজিদ জানিয়েছেন।
মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শুভ্রারানী দেবনাথ বলেন, ‘মণিরামপুর হাসপাতাল থেকে সন্দেহভাজন ১১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে খুলনায় পাঠানো হয়েছিল। তারমধ্যে একজনের রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। তিনি আমাদের স্বাস্থ্যকর্মী।’
মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আহসান উল্লাহ শরিফী বলেন, ওই স্বাস্থ্যকর্মী যাদের সঙ্গে মিশেছেন সেই ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ওই স্বাস্থ্যকর্মীর বাড়ি লকডাউন করা হবে।
এদিকে, মণিরামপুর হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) আনিসুজ্জামান অভিযোগ করে বলেন, ‘মণিরামপুর হাসপাতালে পিপিই এবং এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহ রয়েছে। আমরা দুইজন ল্যাবে নমুনা সংগ্রহের কাজ করি। কিন্তু আমাদেরকে মাত্র একটি পিপিই দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কোনো এন-৯৫ মাস্ক দেননি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শুভ্রারানী দেবনাথ। বিষয়টি তাকে জানানো হলেও তিনি মাস্ক দেননি। বরং চাকরির হুমকি দিয়েছেন। আমরা নিরাপত্তাহীনতার মধ্য দিয়ে কাজ করছি।’
তবে আনিসুজ্জামানের অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেন উপজেলার প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শুভ্রারানী দেবনাথ।
উপজেলা প্রতিনিধি, শার্শা, যশোর
Print Friendly, PDF & Email