শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১১:২৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
লক্ষ্মীপুরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী আব্দুল মতলব’র ব্যাপক গণসংযোগ রায়পুরে বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে ১৫ লাখ টাকার চেক বিতরণ রায়পুরে নবনির্মিত শহীদ মিনার উদ্বোধন করলেন নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি রায়পুর উপজেলা ডিজিটাল সেন্টার উদ্বোধন করেন এড. নয়ন এমপি রায়পুরে করোনা আক্রান্তদের মাঝে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিতরণ উদ্বোধন শোক দিবসে লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা ও দোয়া লক্ষ্মীপুরে বিভিন্ন ইউনিয়নে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি উপহার দিলেন নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি রায়পুর হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার হস্তান্তর রায়পুরে ক্ষতিগ্রস্থ উদ্যোক্তাদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর প্রনোদনার চেক বিতরণ

রায়পুরে ইউএনও -এসিল্যান্ডের উদ্যোগে অসচ্ছল ব্যক্তিদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ। 

অনলাইন সম্পাদনা / ৩৭১ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১১:২৯ অপরাহ্ন

মো.ওয়াহিদুর রহমান মুরাদ, রায়পুর।
জন্মবার্ষিকী পালন না করে দিন – রাত জনগনের কল্যানে কাজ করছেন রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরীন চৌধুরী । শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ/নিয়ন্ত্রণে, জনসমাগম এড়াতে, চায়ের দোকানের আড্ডা বন্ধ করতে, খাবারের হোটেলগুলো মনিটরিংসহ সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ কালে  সন্ধ্যায় রায়পুর পৌর শহর এবং সোনাপুরসহ কয়েকটি ইউনিয়নে সশরীরে ঘুরে দেখেন রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাবরীন চৌধুরী এবং সহকারী কমিশনার ভুমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আখতার জাহান সাথী। সেই সময়ে হতদরিদ্রদের দেখে দেখে, রাস্তায় ঘুরে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন এই দুই নারী কর্মকর্তা।
এসময় পেটের দায়ে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা কিছু ক্ষুদ্র ফুটপাত হতদরিদ্র বিক্রেতা ও অসহায় দরিদ্র মানুষকে নিজস্ব তহবিল থেকে ১০ কেজি চালসহ, ডাল, তেল, লবন সহ একটি প্রমান সাইজের ব্যাগ ভর্তি খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন তাঁরা।প্রায় ১০০ জন হতদরিদ্র ও অসচ্ছল মানুষের মাঝে এই কার্যক্রম চলমান ছিলো।
এ দুই নারী কর্মকর্তার এমন মানবিক উদ্যোগকে আন্তরিক সাধুবাদ জানাতে দেখা গেছে প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের। অসচ্ছল হতদরিদ্রদের সহযোগিতা চলমান থাকবে বলে নিশ্চিত করে রায়পুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরীন চৌধুরী বলেন, আমিই তো তাদেরকে ঘরে ফেরার জন্য কাজ করেছি, এখন আমার নৈতিক দায়িত্ব তাদের ঘরে খাবার পৌছানো। কারো সাথে প্রতিযোগিতা নয়,  আমি ভালো কাজ গুলো দেখে শুনে করতে চাই। আপনাদের যখন যার সেই সমস্যা হয় আমাকে কল করবেন। আমি চেস্টা করবো হতদরিদ্র মানুষদের সামান্য সহযোগিতা নিয়ে হাজির হওয়ার।
Print Friendly, PDF & Email